শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে ইন্ডিয়া পালিয়ে গেছে - এ বি এম মোশাররফ হোসেন


বক্তব্য রাখছেন মোশাররফ হোসেন।

৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং
কলাপাড়া প্রতিনিধি


কলাপাড়া প্রতিনিধি:


বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার আদালতকে ব্যবহার করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ১০ বছর মিথ্যা সাজা দিয়েছিল। সেই সাজা খেটেও তিনি দেশে ছিলেন। দেশকে ভালোবাসেন বলেই তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যাননি। অথচ শেখ হাসিনা, তার নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে নিজে তার পরিবার নিয়ে ইন্ডিয়ায় পালিয়ে গেছে।


আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) শেষ বিকালে মহিপুর থানা বিএনপি আয়োজিত মহিপুর কো-অপ্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে যতবার ভোট সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক হয়েছে ততবারই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জয়লাভ করেছে। শেখ হাসিনা অবৈধ সরকার ২০১৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনে বিনা ভোটে জয়লাভ করেছে।  ২০১৮ সালের নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন আমলা এবং মামুদের নিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। কোন নির্বাচিত নেতারা শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে পারেনি।  

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা করছে। তারা বলছে, বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দু নির্যাতন করা হচ্ছে, বাড়িঘর ছাড়া করা হচ্ছে- অথচ বিএনপির  আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আজ অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক আমাদের দলের সাথে যুক্ত হয়েছে। 

মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি মো. জলিল হাওলাদারের সভাপতিত্বে ও মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শাহজাহান পারভেজের সঞ্চালনায় এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডেভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জাফরুজ্জামান খোকন, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসল্লি, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মো. ফারুক, রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নাননু মুন্সি, মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ফজলু গাজী প্রমুখ।


দৈনিক /খবর /রাসেল